কক্সবাজার, কিশোরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, খাগড়াছড়ি, খুলনা, গাইবান্ধা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, জামালপুর, ঝালকাঠী, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাও, ঢাকা, দিনাজপুর, দ্যা ভয়েজ অব চাইল্ড পার্লামেন্ট, নওগাঁ, নড়াইল, নরসিংদী, নাটোর, নারায়নগঞ্জ, নিউজ, নীলফামারী, নেত্রকোণা, নোয়াখালী, ন্যাশনাল সিল্ডেন্ট'স সেইভ ফাউন্ডেশন এনসিএস এফ, পঞ্চগড়, পটুয়াখালী, পাবনা, পিরোজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, বগুড়া, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট, বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভোলা, ময়মনসিংহ, মাগুরা, মাদারিপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মেহেরপুর, মৌলভীবাজার, যশোর, রংপুর, রাঙ্গামাটি, রাজবাড়ী, রাজশাহী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরিয়তপুর, শেরপুর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, হোম
আসসালামুআলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন, চামড়ার টাকা আমাদের দিন, এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ান

আসসালামুআলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোন, চামড়ার টাকা আমাদের দিন, এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ান

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে কুরবানি সর্বোত্তম ইবাদত। কুরবানির পর পশুর চামড়া বিক্রি করে অর্জিত অর্থ কোথায় খরচ করব এবং চামড়া ব্যবহার কিংবা এ ব্যাপারে ইসলামের দিক-নির্দেশনাই বা কী? নিচে আমরা তা জানব।

কুরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করলে তবে তা উত্তম। কুরবানিকারী ব্যক্তি ইচ্ছা করলে নিজের কুরবানির চামড়া দাবাগত করে তা ব্যবহার করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির চামড়া সম্পর্কে বলেছেন, ‘ তোমরা কুরবানির পশুর চামড়া দ্বারা উপকৃত হও; তবে তা বিক্রি করে দিও না।’

আর যদি কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করা হয়; তবে সে অর্থ কুরবানিকারী ব্যক্তি খরচ তথা ভোগ করতে পারবে না। কুরবানির চামড়া বিক্রিত অর্থ গরিব-মিসকিনদের মাঝে বিতরণ করে দিতে হবে।

ইসলামে কুরবানির চামড়ার অর্থ যারা পাবেন: আল্লাহ বলেন- إِنَّمَا ٱلصَّدَقَـٰتُ لِلۡفُقَرَآءِ وَٱلۡمَسَـٰكِينِ وَٱلۡعَـٰمِلِينَ عَلَيۡہَا وَٱلۡمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُہُمۡ وَفِى ٱلرِّقَابِ وَٱلۡغَـٰرِمِينَ وَفِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱبۡنِ ٱلسَّبِيلِ‌ۖ فَرِيضَةً۬ مِّنَ ٱللَّهِ‌ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَڪِيمٌ۬

‘সদকা হল শুধু ফকির, মিসকিন, সদকা (জাকাত) আদায়কারী কর্মচারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় (গরিব নব মুসলিম) তাদের হক এবং তা (সেই) ক্রীতদাস (যার) মুক্তির জন্যে (অর্থের প্রয়োজন) ঋণগ্রস্তদের জন্যে(যারা এমন গরিব যে ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না), আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে। এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৬০)

যারা জাকাত, ফিতরা পাওয়ার উপযুক্ত তারাই কুরবানির চামড়ার অর্থ পাওয়ার সর্বোত্তম হকদার। তবে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে সে সব ব্যক্তি যারা গরিব, অসহায় কিংবা ইয়াতিম। অর্থাভাবে ইলমে দ্বীন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুরবানির চামড়ার অর্থ দেয়া যাবে।

সুতরাং যেহেতু কুরবানির চামড়া বিক্রি করলে মালিক তার ব্যবহার করতে পারবে না আর তা দান করতে হয়। তাই দান গ্রহণের উপযুক্ত ব্যক্তিরই তা পাবে। এটাই ইসলামের নির্দেশনা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরবানির চামড়ার অর্থ জাকাতের আট খাতের ব্যক্তিদেরকে দান করার তাওফিক দান করুন। বিশেষ করে গরিব ইয়াতিম ইলমে দ্বীনের শিক্ষার্থীদের দান করার তাওফিক দান করুন। আমীন

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি