কক্সবাজার, কিশোরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, খাগড়াছড়ি, খুলনা, গাইবান্ধা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, জামালপুর, ঝালকাঠী, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাও, ঢাকা, দিনাজপুর, দ্যা ভয়েজ অব চাইল্ড পার্লামেন্ট, নওগাঁ, নড়াইল, নরসিংদী, নাটোর, নারায়নগঞ্জ, নিউজ, নীলফামারী, নেত্রকোণা, নোয়াখালী, পঞ্চগড়, পটুয়াখালী, পাবনা, পিরোজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, বগুড়া, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট, বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভোলা, ময়মনসিংহ, মাগুরা, মাদারিপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মেহেরপুর, মৌলভীবাজার, যশোর, রংপুর, রাঙ্গামাটি, রাজবাড়ী, রাজশাহী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরিয়তপুর, শেরপুর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, হোম
কাল জাতীয় শিশু দিবস ও জাতির জনকের জন্ম শত বার্ষিকি

কাল জাতীয় শিশু দিবস ও জাতির জনকের জন্ম শত বার্ষিকি

কাল জাতীয় শিশু দিবস ও জাতির জনকের জন্ম শত বার্ষিকি
১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। জাতীয়ভাবে দিনটিতে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসার কারণেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম মেয়াদে (১৯৯৬-২০০১) খ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ১৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করে। প্রথমে দিনটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা না করলেও পরবর্তীতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বছরে একাধিকবার বিভিন্ন নামে শিশু দিবস পালন করা হয়। এর পাশাপাশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলো নিজেদের মতো করে পালন করে জাতীয় শিশু দিবস। আন্তর্জাতিকভাবে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালন করা হয়। জাতিসংষের ঘোষণা অনুযায়ী ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে পালন হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালিত হয় ১ জুন। এছাড়া ১১ অক্টোবর সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়। শিশুদের জন্য এরকম আরও কয়েকটি দিবস রয়েছে। এর বাইরে বিশ্বের দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ কোন দিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের জুনের দ্বিতীয় রবিবার পালন করা হয় শিশু দিবস। আবার পাকিস্তানে শিশু দিবস হল ১ জুলাই, ৪ এপ্রিল শিশু দিবস উদযাপিত হয় চিনে। অন্যদিকে ব্রিটেনে শিশু দিবস পালন করা হয় ৩০ অগাস্ট, জাপানে ৫ মে, পশ্চিম জার্মানিতে ২০ সেপ্টেম্বর। তবে সব দেশেই শিশু দিবস পালনের উদ্দেশ্য একটাই, দেশের শিশুদের অধিকার ও তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ফের একবার সচেতনতার বার্তা দেওয়া।

ভারতে জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয় ১৪ নভেম্বর। দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল ও শিশুদের প্রিয় চাচা নেহেরুর জন্মদিন ১৪ নভেম্বরকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করে ১৯৬৭ সাল থেকে পালন করে আসছে।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব শিশু দিবস পালন হলেও জাতীয় শিশু দিবস ছিল না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয় ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করে ওই সময়কার মন্ত্রিসভা। ১৯৯৭ সাল থেকেই দিবসটি পালন শুরু হয়। এ দিনটিকে সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

১৭ মার্চকে শিশু দিবস ঘোষণার কারণ হিসেবে জানা গেছে, শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর দরদ ছিল অপরিসীম। তাই তার জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়। অবশ্য ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর পর তৎকালীন বিএনপি সরকার শিশু দিবস পালন এবং সরকারি ছুটি বাতিল করে। ফলে ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দিবসটি পালিত হয়নি। এসময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মদিন ১৯ জানুয়ারিকে বিএনপি সরকার শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন শুরু করে। পরবর্তীতে নবম জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়ে আবারও প্রতিবছর জাতীয় পর্যায় বড় আয়োজনের মাধ্যমেই এ দিবসকে পালন করে আসছে।

১৭ মার্চকে শিশু দিবস পালনে ভারত থেকে প্রভাবিত হওয়ার বিষয়টি হতে পারে বলে মনে করা হয়। অবশ্য এদিনকে কেন শিশু দিবস ঘোষণা করে পালন হয় জানতে চাইলে ওই সময়কার (১৯৯৬-২০০১) মন্ত্রিসভার সদস্য ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাতির পিতা জন্মদিন পালন করতেন না। তিনি শিশুদের খুবই ভালোবাসতেন। তার জন্মদিনটাতে তিনি শিশুদের সঙ্গে কাটাতে পছন্দ করতেন। ওইদিন শিশুরা দল বেঁধে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে যেত। এসব সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে তার জন্মদিনটাতে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
হাসব মোরা
আয়রে তোরা
আজকে খুশির দিন
জাতির জনক বঙ্গ বন্ধু
এই দিনেতেই জন্ম নিলেন
আজকে পিতার জন্মদিন
এই দিনেতেই শিশু দিবস
সকল শিশুর শুভ দিন
শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ তোমায়
মনে রাখব আজীবন
তোমার জন্য স্বাধীনতা
হয়েছি মোরা স্বাধীন

মিস. ফাতিমা মুন্নি
প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি