কেন্দ্রীয় কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ভূমিকা

কেন্দ্রীয় কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ভূমিকা

কেন্দ্রীয় কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ভূমিকাঃ
উপদেষ্টাঃ
* সংস্থার যাবতীয় সকল বিষয়ে সকল প্রকার পরামর্শ, আর্থিক সহায়তা, যে কোন অনাকাংঙ্খীত ঘটনার দার্য়িত্ব, সকল প্রকার সমস্যার সমাধান, সকল প্রকার আইনি সহায়তা, রাজনৈতিক সহায়তা সহ যাবতীয় সকল বিষয়ে সর্বদা সকল প্রকার পরামর্শ এবং সহায়তা প্রদান করা।
* সংস্থার তহবিল গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করা।
* সংস্থার মান উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয় এবং সময় উপযোগী কার্য্যক্রম গ্রহণে সংস্থাকে পরামর্শ দেওয়া।
* সম্মানের দিক থেকে সংস্থার সর্বোচ্চ পদ মর্যাদায় অবস্থান গ্রহণ।
চেয়ারম্যানঃ
* স্থায়ী ভাবে সংস্থার প্রধান এবং সর্বচ্চো নির্বাহী কর্মকর্তা।
* সংস্থার সকল প্রকার ভাল-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধা, উন্নয়ন, বহিঃষ্কার, দার্য়িত্ব প্রদান, নতুন কমিটির অনুমোধন, কমিটি স্থগীত সহ যাবতীয় প্রশাশনিক কার্য্যক্রমের সর্বশেষ সিদ্ধান্তকারী।
* সংস্থার তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ, বৃদ্ধি, আয়, বেয় সহ যাবতীয় সকল প্রকার আর্থীক কার্য্যক্রমের সর্বশেষ সিদ্ধান্তকারী।
* সংস্থার গঠনতন্ত্র প্রয়োজনে স্ব ইচ্ছায় উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশক্রমে পরিবর্তন, সংযোজন সহ যাবতীয় সকল প্রকার বিষয়ে একমাত্র ক্ষমতার অধিকারী।

কেন্দ্রীয় কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ভূমিকাঃ
সভাপতিঃ
* সভাপতি কমিটির মধ্য মণি হিসেবে সর্বচ্চো ক্ষমতার অধিকারী থাকবে।
* সভাপতি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে গৃহীত সকল বিষয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
* সভাপতি পদাধিকারবলে কমিটির সব সভা ও অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করবেন।
* সভাপতি চেয়ারম্যানের নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।
* সভাপতি সংস্থার গঠনতন্ত্রের প্রটিতি ধারার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চত করবে।
* সভাপতি সভা আহবানের জন্য সাধারণ সম্পাদককে বলবেন।
* সভা শেষে যে কোন আলোচ্যসূচি অনুযায়ী বা উথাপিত কোন বিষয়ে সভাপতি সবার মতামত প্রয়োজনে ভোটের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে হবে। এক্ষেত্রে হ্যাঁ বা না বলেই ভোটের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

সহসভাপতিঃ
* সহসভাপতির সকল কাজে সভাপতিকে সহায়তা করবে।
* সভাপতির অনুপস্থিতে এবং যদি সভাপতি তাহাকে দার্য়িত্ব প্রদান করেন তবে সভাপতির সকল ক্ষমতা ব্যবহার করবে।
* এছাড়া সভাপতির কাছ থেকে তার কাছে অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* সহসভাপতি অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

সাধারণ সম্পাদকঃ
* কমিটির প্রাণ হিসেবে সকল দার্য়িত্ব পালন করবে।
* পদাধিকারবলে কমিটির দ্বিতীয় সর্বচ্চো ক্ষমতাধর হিসেবে দার্য়িত্ব পালন করবে।
* সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যানের নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।
* সাধারণ সম্পাদক তাহার সকল সিদ্ধান্তের জন্য অবশ্যই সভাপতির সাথে আলোচনা করতে হবে।
* সভাপতির পরামর্শক্রমে সভা আহবান করবেন।
* সভায় সভানেতা হিসাবে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ
* সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করবে।
* সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতে সভাপতির পরামর্শক্রমে সভা আহবান করবেন।
* সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতে এবং যদি সাধারণ সম্পাদক তাহাকে দার্য়িত্ব প্রদান করেন তবে সাধারণ সম্পাদকের সকল ক্ষমতা ব্যবহার করবে।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

অর্থ সম্পাদকঃ
* অর্থ সম্পাদক সকল সদস্যদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা ও অন্যান্য অনুদান সংগ্রহ করবে।
* অর্থ সম্পাদক অত্র কমিটির যাবতীয় আয় ব্যায়ের হিসাব রক্ষা ও সভায় প্রদান করবে।
* অর্থ সম্পাদক সংস্থার অত্র কমিটির তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা করবেন এবং তা
বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।
* এছাড়া তাহার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব ও অর্থ বিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
* অর্থ সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
* কমিটির অভন্ত্যুরীন সকল শৃংখলা এবং শান্তি বজায় রাখতে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে সকল দার্য়িত্ব পরিচালনা করবেন।
* কমিটির কেন্দ্রী যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* সাংগঠনিক সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
* সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা করবে।
* সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতে তাহার সকল দার্য়িত্ব পালন করবেন।
* সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতে এবং যদি সাংগঠনিক সম্পাদক তাহাকে দার্য়িত্ব প্রদান করেন তবে সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল ক্ষমতা ব্যবহার করবে।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

দপ্তর সম্পাদকঃ
* কমিটির সকল দাপ্তরিক কার্য্যক্রম সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করবেন।
* কমিটির কেন্দ্রী যাবতীয় কার্যক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদকে সহায়তা করবে।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* দপ্তর সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

প্রচার সম্পাদকঃ
* সাংস্থার ব্র্যন্ড অ্যাম্বাসিডর হিসেবে কাজ করবেন।
* সংস্থার প্রচার প্রসারের জন্য গৃহীত সকল প্রচার এবং প্রকাশনার কার্য্যক্রম সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করবেন।
* কমিটির সকল সভা, অনুষ্ঠান, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, নিউজ, নিমন্ত্রণ পত্র, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং প্রচার সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করবেন।
* সমভাবাপন্ন বা অন্যান্য সংস্থার সাথে প্রয়োজনীয় সকল চুক্তি, সমজতা স্বারক, যোগাযোগ সহ প্রয়োজনীয় সকল কার্য্যক্রম কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে পরিচালনা করবেন।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* দপ্তর সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদকঃ
* প্রশিক্ষণ বিষয়ক সকল কার্য্যক্রম সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করবেন।
* প্রচার সম্পাদকে তাহার কাজে সহায়তা করবেন।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* দপ্তর সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদকঃ
* বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
* সংস্থার সকল সদস্যর বিজ্ঞান, তথ্য, ও প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান লাভের উপযুক্ত ব্যবস্থা করবে।
* বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন মেলা, কনফারেন্স পর্দশনি ইত্যাদির আয়োজন করবেন
* সংস্থার আইসিটি বিষয়ক গৃহীত সকল কার্য্যক্রম সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করবেন।
* এছাড়া তার ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।
* দপ্তর সম্পাদক অবশ্যই সভাপতির নিকট তাহার সকল সিদ্ধান্ত এবং কার্য্যক্রমের জন্য দায়ী থাকবেন।

নির্বাহী সদস্যঃ
* নিয়মিত সংস্থার সকল সভা সেমনিারে উপস্থিত থাকবেন।
* বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও সভায় উথাপন করবেন।
* এছাড়া তাদের ওপর অর্পিত অন্যান দার্য়িত্ব পালন করবে।

ফেইজবুক পেইজ লিংক https://www.facebook.com/ncjab.org

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি