কক্সবাজার, কিশোরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, খাগড়াছড়ি, খুলনা, গাইবান্ধা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, জামালপুর, ঝালকাঠী, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাও, ঢাকা, দিনাজপুর, নওগাঁ, নড়াইল, নরসিংদী, নাটোর, নারায়নগঞ্জ, নিউজ, নীলফামারী, নেত্রকোণা, নোয়াখালী, পঞ্চগড়, পটুয়াখালী, পাবনা, পিরোজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, বগুড়া, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট, বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভোলা, ময়মনসিংহ, মাগুরা, মাদারিপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মেহেরপুর, মৌলভীবাজার, যশোর, রংপুর, রাঙ্গামাটি, রাজবাড়ী, রাজশাহী, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরিয়তপুর, শেরপুর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, হোম
নয় পেরিয়ে দশ, করব সকল অন্যায় বশ

নয় পেরিয়ে দশ, করব সকল অন্যায় বশ

নয় পেরিয়ে দশ, করব সকল অন্যায় বশ

১২ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি। প্রতি বছর এই দিনটিকে সকল শিশুর জন্মদিন হিসেবে উৎযাপন করে আসছে বিএনসিপি। আমি বা আপনি ধনি পরিবারের সন্তান, আমাদের জন্ম যেমন ছিল বহুল প্রত্যাশিত তেমনি প্রতিটি জন্মদিন পালন হয় মহা-সমারহে। কিন্তু এই যে, রাস্তায় পরে থাকা শিশুরা তাদের জন্মদিন তো দূরের কথা তারা জানেই না যে তাদের বাবা-মা কে। এই কথাটা যতটা অবাক হওয়ার মতো, ঠিক ততটাই সত্যি যে, এই শিশুরাই স্বপ্ন দেখে তাদের জন্মদিন পালন করা হচ্ছে। কিন্তু তা স্বপ্নই রয়ে যায়। বাস্তবতা আর স্বপ্ন কতটা আলাদা তাও হয় তো তাদের অনেকে জানে না। কিন্তু তাবুও তাদের স্বপ্ন দেখার সমাপ্তি ঘুচে না। তাদের স্বপ্নকে একটুখানি বাস্তবে রূপদানের ব্যার্থ চেষ্টাই হলো আমাদের এই প্রচেষ্ট। বিএনসিপির কর্তৃক দেশের প্রতিটি জেলা/উপজেলায় এই দিনটি আমরা সাধ্য মত উৎযাপনের চেষ্টা করে থাকি। তাছাড়াও এই দিনটি উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রয়েছে নানান আয়োজন।
১। শিশুদের নিয়ে আনন্দ শোভা যাত্রা।
২। শিশুদের নিয়ে কেক কাটা।
৩। চকোলেটসহ অন্যান্য খাবার সামগ্রী বিতরণ।
৪। শিশুদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা।
৫। পুরষ্কার বিতরণ সহ আরো নানান আয়োজন।
৬। করোনা সক্রমন সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি ও এই ব্যাপারে জরুরী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চত করণ এবং শিশুদের
উন্নয়নে বিএনসিপির যুক্তিক দাবি সমূহ উল্লেখ্য পূর্বক স্ব স্ব জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান।

আপনাদের সকলকে আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজনে অংশ গ্রহণের জন্য নিমন্ত্রণ করা হল এবং যারা ভলেন্টিয়ারিং বা আমাদের সাথে যুক্ত হতে ইচ্ছুক তাদের নিচের রেজিঃ ফরমটি ফিলাপ করার জন্য আনুরোধ করা হল।
ধ্যনবাদান্তে
মিস. ফাতিমা মুন্নি
চেয়ারম্যান, বিএনসিপি, বাংলাদেশ।

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি