বাংলাদেশ কিশোর গোয়েন্দা সংস্থা (বিকেডিআই)

বাংলাদেশ কিশোর গোয়েন্দা সংস্থা (বিকেডিআই)

পরিচিতি:
বাংলাদেশ কিশোর গোয়েন্দা সংস্থা (বিকেডিআই) এটি সম্পূর্ন শিশু অপরাধ বিরোধী সংগঠন। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি থানাতে ১১ সদস্যের একটি বিশেষ র্ফোস গঠন করে উক্ত থানার পুলিশদের সগযোগী হিসেবে ঐ এলাকা থেকে শিশু অপরাধ ও শিশু নির্যাতন দমনে কাজ করে থাকে। বিকিডিআই একটি সেবা মূল্যক সংগঠন যা নিয়ন্ত্র, পরিচালনা ও কার্যক্রম সম্পূর্ন করে থাকে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সের ছেলে মেয়েরা। বিকিডিআই শিশুদের নিরাপত্তায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বৈশিষ্ট্য, উদ্দেশ্য ও দায়িত্ব: বিকেডিআই একটি সেবামূলক দেশ থেকে শিশু অপরাধ ও নির্যাতন দমন এবং শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে থাকে। শৃঙ্খলার সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধের তদন্ত করে তা সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের মাধ্যমে দেশের আইন মোতাবেক সমাধান করতে কাজ করে থাকে। বিকেডিআই দেশ থেকে শিশু নির্যাতন দূর করতে এবং দেশের শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সচেতন শিশু কিশোরদের তৈরি একটি সম্বলিত মঞ্চ।

বিকেডিআই এর সুবিধা: যেহেতু শিশুরাই শিশুদের অভিভাবক তথা অপরাধ দমনে কাজ করে থাকে, সেহেতু দেশ থেকে শিশু অপরাধ ও শিশু নির্যাতন দূর হবে। আমাদের দেশ অউন্নত হওয়ার কারণে এখনো অনেক শিশু-কিশোররা পড়াশোনা না করে পেটের দায়ে বিভিন্ন কলকারখানা, গার্মেন্টস, দোকান, রেস্টুরেন্ট, অফিস এমনকি বাসা বাড়িতেও কাজ করে, ফলে কোন না কোন সময় কোন না কোন ভাবে ওদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়, যা শুরুতে কম হলেও পরে তা দিন দিন বাড়তে থাকে এক পর্যায়ে বিরাট আকার ধারণ করে অবশেষে দেখা যায় কাউকে না কাউকে প্রাণ দিতে হয় (যা অতীতে প্রমাণিত) কিন্তু এই শিশু শ্রম যে দেশ থেকে একেবারে দূর করা যাবে, তা বলা খুব কঠিন, তাই শিশু শ্রম কোন না কোন ভাবেই দেশে থেকে যাবে ফলে যদি এ সকল ভুক্ত ভোগী শিশুরা জানে যে, তাদের মত শিশুরাই এখন তাদের নিরাপত্তা তথা আইনের আশ্রয় নিয়ে তাদের পাশে আছে বা থাকবে তাহলে ওদের কিছুটা হলেও শক্তি আসবে যা তাদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে। প্রক্ষান্তরে মালিক পক্ষ জানবে যে এখন শিশুদের মাঝেই তাদের প্রতিবাদ করার শক্তি আছে, যদি কোন শিশুকে নির্যাতন করলে যা তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এমতাবস্থায় শিশু নির্যাতন করতে হলেও তা করতে পারবে না, ফলে শিশু নির্যাতনের হার ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।

ধন্যবাদান্তে

মোঃ গোলাম কিবরিয়া ইফছয়ণ
ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক
বাংলাদেশ কিশোর গোয়ান্দা সংস্থা (বিকেডিআই)
(বিঃ দ্রঃ বর্তমানে বিকেডিআই এর কার্যক্রম শুধুমাত্র বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি’র অভন্তরে চলমান)

ফেইজবুক পেইজ লিংক https://www.facebook.com/000BKDI

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি