বিএনসিপি কর্তৃক শিশুদের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে সুযোগ প্রদানে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান

বিএনসিপি কর্তৃক শিশুদের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে সুযোগ প্রদানে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান

বরাবর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
তেজগাঁও, ঢাকা।
বিযষয়ঃ বিএনসিপি কর্তৃক শিশুদের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং আগামীর দক্ষ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে যুক্তিক ৭ দফা দাবি সমূহ ব্যাস্তবায় প্রসঙ্গ।
মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক …………………………………..।

উপস্থাপনায়ঃ বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি।
…………………………………………………….প্রদেশ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমাদের দেশ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ। এই স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশেরর ভবিষ্যৎ কর্ণধার হচ্ছে নতুন প্রজন্ম। তাই নতুন প্রজন্মকে হতে হবে নেতৃত্বের গুণাবলি সমৃদ্ধ। শিক্ষা, মূল্যবোধ, সময়ানুবর্তীতা, অধ্যবসায়, ধৈর্য,সত্যবাদীতা, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ,পরোপকারী, আত্ননির্ভশীলতা, শালীনতা,বিনম্রতা ইত্যাদির গুণাবলি সমৃদ্ধ ব্যক্তিই দেশের নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্য। আর একজন যোগ্য ব্যক্তিই পারে সমাজ ও দেশকে নতুন রুপ দিতে। তাই নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত ও নেতৃত্বের গুণাবলি সমৃদ্ধ প্রযন্ম হিসেবে। এই চিন্তা চেতনায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি যা সম্পূর্ন শিশু-কিশোরদের দ্বারায় পরিচালিত এবং সংগঠিত দেশের অন্যতম একটি জাতীয় শিশু সংগঠন। বিএনসিপি ২০১২ সালে মিস. ফাতিমা মুন্নি ম্যামের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েই প্রতিষ্ঠাকাল থেকে শিশুদের উন্নয়ন উপযুগী যবিতীয় কার্য্যাবলি পরিচালনা করে আসছে। বিএনসিপি মূল্যত দেশের সু-শীল সমাজ এবং প্রশাসনের সহায়তায় শিশুদের সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা নিয়ে কাজ করে। গণতান্ত্রিক শিক্ষায় উজ্জ্বিবিত হয়ে গঠন করেছে শিশু সরকার। আমাদের মধ্যেই রয়েছে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রি, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, চিপ হুইপ, হুইপ, নির্বাচন কমিশনার ইত্যাদি। দার্য়িত্ব, নেতৃত্ব এবং উন্নতি এই তিনটি হলো বিএনসিপির মূলনীতি। আমরা বিশ্বাস করি কেমল মাত্র দার্য়িত্ববোধই পারে একটি মানুষের মাঝে প্রকৃত নেতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে। আর প্রকৃত নেতৃত্ববোধই হলো উন্নয়নের চাবি-কাঠি। যেমনটা আপনি নিজেই বিশ্ববাসীর নিকট সর্বোত্তম এবং আদর্শবান উদাহরণ। আপনার যথাযথ দার্য়িত্ব পালন আর যোগ্য নেতৃত্ববোধই আজকে আমাদের এবং আমাদের সোনার বাংলাকে এত দূর নিয়ে এসেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিএনসিপি দেশের প্রতিটি জেলাকে প্রদেশ, প্রতিটি উপজেলা কে উপ-প্রদেশ এবং প্রতিটি ইউনিয়ন কে আঞ্চলিক প্রদেশ হিসেবে এই তিন টি ধাপে গণতান্ত্রিক উপায়ে শিশু সরকার গঠন করে শিশু-কিশোরদের মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলি প্রকাশ করানোর কাজ করছে। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

জয় বাংলা
জয় নতুন প্রজন্ম
জয় বিএনসিপি

বিএনসিপি কর্তৃক শিশুদের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং আগামীর দক্ষ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে যুক্তিক ৭ দফা দাবি সমূহ নিন্মে তোলে ধরা হলো।

১। শিশুদের জন্য জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত আসন চাই।
২। শিশুদের জন্য আলাদা অধিদপ্তর গঠন করতে হবে।
৩। শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে একটি স্বাধিন কমিশন ‍”জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন” গঠন করতে হবে।
৪। ডিসেম্ভরের ১২ তারিখকে সকল সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্ম দিন উপলক্ষ্যে জাতীয় ভাবে পালন করতে হবে।
৫। ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে বিএনসিপি কে সরকারি ভাবে পরিচালনা করতে হবে।
৬। সকল শিশুদের সম অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
৭। সকল শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে হবে এবং সকল শিশুর জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2 responses to “বিএনসিপি কর্তৃক শিশুদের নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে সুযোগ প্রদানে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি