শিশু সংসদ বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের গভর্ণরের দার্য়িত্ব পেলেন বিএনসিপি’র কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইফছয়ণ

শিশু সংসদ বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের গভর্ণরের দার্য়িত্ব পেলেন বিএনসিপি’র কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইফছয়ণ

জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের গভর্ণরের দার্য়িত্ব পেলেন বিএনসিপি’র কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জি কে ইফছয়ণ

আইডল অফ দ্যা চাইল্ড খ্যাত বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি”র মাননীয় কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ গোলাম কিবরিয়া ইফছয়ণ ভূইঁয়া কে বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের গভর্ণর হিসেবে দার্য়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর বিএনসিপি’র মাননীয় প্রেসিডেন্ট মিস. ফাতিমা মুন্নি ম্যামের নির্দেশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিএনসিপির মাননীয় প্রেসিডেন্ট এর দপ্তর থেকে জানা গিয়েছে, আসছে আগামী ১৬ অক্টোবর ইফছয়ণের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাকে এই পদ উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত দার্য়িত্বে তিনি কত দিন নিয়োজীত থাকবেন এই ব্যাপারে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। মোঃ গোলাম কিবরিয়া ইফছয়ণ ভূইঁয়া বর্তমানে টানা দ্বিতীয় বারের মতো বিএনসিপি’র কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইফছয়ণ ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরষ্কারের জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং ২০২১ সালে আবারো এই পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এছাড়াও ইফছয়ণ একজন শিশু সাংবাদিক ও লেখক সে ইউনিসেফ কর্তৃক টানা দ্বিতীয় বার শিশু সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ পুরষ্কার “মীনা মিডিয়া এ্যাওয়ার্ড সহ লেখালেখি ও শিশু উন্নয়ন কর্মী হিসেবে অনেক পুরষ্কার অর্জন করেছেন। ইফছয়ণ বাংলাদেশ কিশোর গোয়েন্দা সংস্থা বিকেডিআই এর ভার-প্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবেও কাজ করছেন।

ইফছয়ণ নিয়মিত বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও পত্রিকায় লেখালেখি করেন। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় শিশু-কিশোর ম্যাগাজিন “কিশোর গোয়েন্দা” এর ব্র্যান্ডএম্ভাসিডর হিসেবে নিয়জিত রয়েছেন। ইফছয়ণ বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন এনসিজিএবি এর কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ইফছয়ণ বিএনসিপি’র মাধ্যেমে ধর্ষণ, বাল্যবিবাহ, শিশুদের নিরাপত্তা, শিশু বুলিংসহ দেশের শিশু-কিশোরদের উন্নয়ন নিশ্চিতের জন্য নিয়মিত কাজ ও লেখালেখি করেন। এছাড়াও তিনি উপরোক্ত বিষয় সমূহ দেশের নীতি নিধারনিদের নজরে আনতে বিভিন্ন জাতী ও আর্ন্তজাতিক সভা সেমিনারে নিয়মিত কথা বলেন।

এই ব্যাপারে ইফছয়ণের সহকারী নুসরাত হক নিশী জানায়, ইফছয়ণ স্যার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিশুদের ইতিবাচক পরির্বতন আনতে এবং তাদের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দার্য়িত্ব নিতে ভালবাসেন এবং তা যথাযথ ভাবে পালন করার চেষ্টা করেন। স্যারের তরফ থেকে এই বিষয়টি নিশ্চত করা হলো এবং দ্রুতই স্যার তাহার দার্য়িত্ব বোঝে নিবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের মাননীয় গভর্ণর মহসিন হোসেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে সৈনিক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় এই পদে ভার-প্রাপ্ত হিসেবে দার্য়িত্ব পালন করে আসছিলেন বিএনসিপি সাতক্ষিরা প্রদেশের মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী মোঃ জোবায়ের হোসেন।

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি