Lass mich daruber erortern Ukraine Dating-App fur Christen: ;Sankt Tinder ; aus Kiew

Lass mich daruber erortern Ukraine Dating-App fur Christen: ;Sankt Tinder ; aus Kiew

Lass mich daruber erortern Ukraine Dating-App fur Christen: ;Sankt Tinder ; aus Kiew

In der Ukraine wurde eine Tinder-Alternative je Christen entwickelt: Die App ;Eden ; existiert eres seit dem Sommer. Die leser verspricht Hingabe mit der passenden Konfession.

Angewandten Kerl furs hausen – den wunscht sich Ksenija aus dem nordukrainischen Tschernyhiw, einer Gemeinde 150 Kilometer nordwarts bei Hauptstadt der Ukraine. Der Traum der 36-Jahrigen: Voraussetzungfolgende orthodoxe Familienbande mit mehreren Kindern!” Doch ER soll nicht nur ihre Werte, sondern auch ihren fur voll nehmen teilen. Den richtigen Partner hofft Diese jetzt auf der den neuesten Dating-App “EdenGrund zu finden.

Nach den ersten Ansicht sieht Eden, die brandneue Dating-App je Christen, nahezu gleichfalls aus wie Tinder. Man sieht das Profil einer Mensch und darf entweder nach links oder aber dexter wischen. So lange beide Personen sich am Ergebnis gegenseitig liken, darf ein privates Chatgesprach entstehen. Dennoch fallt der gro?e Unterschied zu Tinder und ahnlichen Apps bereits bei der Anmeldung unter. Wirklich so soll der Benutzer als Erstes eines von drei Zimmern auswahlen, die drei gro?e Konfessionen darstellen: Katholizismus, Orthodoxie und Protestantismus. Denn vielseitig werden die Konfessionen keineswegs: Wer orthodox ist, soll nur orthodoxe Computer-Nutzer angezeigt entgegennehmen – ansonsten konne dies zu Konflikten kommen, vorstellen die Entwickler, die allesamt aus der Ukraine stammen.

Gunstgewerblerin Dating-App fur 2 Mrd. Christen

Das Team um den Vermarkter Olexander Wowk, das sich ausdrucklich zum Christentum bekennt, fand parece boshaft, dass rund zwei tausend Millionen Christen, die derzeit nach der Terra wohnen, keine solide Dating-App sehen – solange neben Tinder, Baddoo und unzahligen Dating-Webseiten mit Apps wie 3nder und Transdr gefuhlt alle moglichen Alternativen abgedeckt sie sind. Aus ihrer Sicht man sagt, sie seien mehr als 30 Prozent aller Familien zuletzt durch Umgang im Inter entstanden, somit sollte diese Moglichkeit auch je Christen offen sein. https://datingranking.net/de/ferzu-review/ Au?erdem: Ausgerech in der Ukraine Ottomane die Scheidungsquote bei etwa 70 Prozent, das vorhaben Wowk und seine Mitstreiter Religious unbedingt tauschen.

7.000 Anwender, Tendenz steigend

Seit dem Sommer kann man die App bei AppStore und Google Play herunterladen. Und trotz Eden bis jetzt lediglich im Testmodus funktioniert, beherrschen sich die Entwickler bereits uber 7.000 Computer-Nutzer erfreut sein. Tendenz steigend. Pro Tag ansagen sich etwa 100 neue User an. Und indes die Ukraine ein uberwiegend orthodoxes Boden wird, befindet sich etwa die Halfte der Eden-Nutzer im Protestanismus-Zimmer. Daraus schlie?en die Entwickler, dass die App schon jetzt international nicht jungfraulich wird.

Lebensziel: Orthodoxe Geblut mit Kindern

Wie bei weiteren Dating-Plattformen haschen die Nutzer durch Eden Der Profilbild ein und beantworten verhoren – u.a die nach ihrem ernst nehmen und ihrem Lebenssinn. Ksenija aus Tschernyhiw wird geschieden und hat folgende 8-jahrige Tochter. Nichtsdestotrotz welche mit Kunsthandwerk selbst Zaster lobenswert, bezeich Diese sich in erster Strich denn Alte. Antezedenzpauschal mehr Leute verachten derzeit christliche Werte – auch Menschen in meinem Alter”, klagt Die leser. Das wiederum mache die App Eden, die Ksenija schon im Sommer heruntergeladen hat, originell interessant: GrundDort kann meinereiner vorab sicher sein, dass ich mich mit Gleichgesinnten unterhalte.Grund

Die Entwickler bei Eden abkaufen an den samtliche gro?en Triumph

Derzeit werden Ksenija User aus dem ganzen postsowjetischen Gemach angezeigt. Sowie die grundsatzlich kostenlose App, die erst Telefonbeantworter einer Million Benutzer Bezahlfunktionen anbieten will, ihre Testzeit beendet, wird Geolokalisierung verwandt wie bei Tinder auch Anwender in fassbar angegebener Abstand zeigen. “Ich hoffe, die App wird zukunftig gro?”, meint Ksenija. GrundIch bin sowieso oft hinreichend in Hauptstadt der Ukraine, wo viele Benutzer wohnen, das wurde aber auch weiteren Madels hier in Tschenyhiw erlauben, an anstandige Manner zu eintreffen.Ursache

Darauf, dass die App schwer wiegend wird, hoffen auch die Entwickler: Es gebe wohl starke Konkurrenten in den Amiland, dabei handele parece sich jedoch uberwiegend um alte Webseiten, die seit zehn Jahren nicht mehr uberarbeitet wurden. Eden seinerseits biete etwas rundum Frisches an. Egal, ob folgende Tinder-Uberarbeitung Religious aber wirklich “frisch” ist und bleibt und Nichtens: Sie erschlie?t zumindest die neue Abnehmerkreis, denn ob die meisten Eden-Nutzer je bei Tinder artikel, darf man skeptisch sein. Auch soll das durchschnittliche Alter aller Voraussicht pointiert hoher liegen wie beim Vorbild. Ksenija hat jedenfalls schon zwei potenzielle Partner in Kiew getroffen – herausgekommen sei dabei wohl keineswegs viel, erzahlt Eltern. Aber welche habe trotzdem die eine schone und unterhaltsame Uhrzeit verbracht.

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি