Western european Wedding Traditions

Western european Wedding Traditions

Europe is actually a vast continent with many different European marriage traditions. A person travel across the globe to find a wonderful european marriage ceremony tradition for you personally and your fresh partner. In fact , some of the most interesting European marriage traditions happen to be centered right here in the US. Just because the wedding practices in some elements of the world differ than others does not mean that they can are no longer popular. Actually there are more european wedding party traditions open to you than any other part of the environment.

Of all of the european marriage traditions I heard about, one of the most fascinating is probably the French personalized of proposing on horses drawn buggy. This tradition originated hundreds of years ago in France. A groom proposed to his bride on a horse-drawn carriage being a sign of respect and approval in the people of her court. This is even now a very affectionate idea, whether or not it doesn’t work exactly the same way in every country. The bride’s family unit would acknowledge the proposal and then the couple would definitely ride away in the carriage, symbolizing a new start in their matrimony.

Another of the more interesting european wedding party traditions is definitely the medieval wedding party known as the banquet. This was probably the most important occasions in most castles during the wedding. Food was considered very important, and when two families visited a castle to begin wedding, they at all times planned to obtain very good food. The tradition made its debut in the middle age range in Europe, and features continued through the centuries. This dinner time involved a lot of nice fare such as very rare beef, exotic wine drinks, cheeses and other foods rarely found in day-to-day kitchens.

Another on the more interesting western european wedding practices is the personalized of the soon-to-be husband presenting his bride using a diamond czech mail order wives ring on the day of the marriage ceremony. This custom originated long ago in Germany, where ring was said to be provided by the groom to symbolize his fidelity to his better half. Today, the ring remains given by the groom to symbolize the determination he has made to her. Various couples choose to choose a wedding band from the different gemstones available and the groom and bride exchange all of them before the wedding party. If you wish, you can present the rings towards the bride and groom throughout the wedding ceremony, so that it is a very special day for them both.

Lots of people might not just like the european wedding traditions, nonetheless it doesn’t get them to unromantic. There are other ways to indicate the marriage, and several of the traditions have made it into modern days. For instance, in many countries, the bride and groom bring along a bottle of wine to the reception, which is a pleasant touch, specially in a non-western culture wherever alcohol can be banned prior to marriage.

One of the most common european practices, especially in Traditional western Europe, is the traditional dinner. It’s named das oberhaus or dieses kuchen, which means “dinner in a room”. In the old days, there were no game tables nor seats, so the few would write about one food with their friends. The wedding reception took place after the meal, which was considered an important the main ritual, seeing that the guests may wait for the meals to end.

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের ডোনেট করুন

শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন

বিকাশ নাম্বার- ০১৭৩৬২১৩৮২৮

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং

মাসব্যাপি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগীতা-২০২০ইং পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন

অনলাইনে ভোটার রেজিষ্টেশন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইনে সদস্য ফরম

অনলাইনে সদস্য ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

সকল ফরম সমূহ

শিশু সংসদ সদস্য পদে আবেদন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন ।

নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপ শিশু সাংসদ সদস্য পদে আবেদন পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

উপদেষ্টা পদে সম্মতি পত্র পেতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার রেজিঃ ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন

চেয়ারম্যানের পরিচয়

মিস. ফাতিমা মুন্নি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি। তিনি দেশের অন্যতম একজন শিশু সংগঠক, শিশু গবেষক এবং সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় জাতীয় শিশু কিশোর ম্যাগাজিন কিশোর গোয়েন্দা’র সম্পাদক ও প্রকাশক। এছাড়াও তিনি বিএনসিপির সকল সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিষ্ঠাতা।১৯৯৬ সালে ৩০ শে মে ঐতিহাসিক কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার কমলাপুরে বসবাস করেন। তিনি ঐহিয্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টরিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে অর্নাসে প্রথম শ্রেণীতে উৎতিন্ন হয়ে একই কলেজ থেকে মাষ্টার’স শেষ করে বর্তমানে উচ্চতর ডিগ্রী পিএইসডি অর্জনের জন্য দেশের বাহিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ছোট বেলা থেকেই শিশুদের ব্যাপারে খুবই কৌতুহলি এবং আবেগি ছিলেন। তিনি সব সময় শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষৎতে যেন আজকের শিশুরাই আগামীর পৃথিবীকে সুন্দর ও যুগ উপযুগী সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারে এই নিয়ে চিন্তা করতেন। “আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত” মূলত এই ব্যাক্যটি থেকেই বিএনসিপির জন্ম। মিস. ফাতিমা মুন্নির মতে যদি আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষৎত হয়ে থাকে তবে অবশ্যই তাদের আগামীর জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং অবশ্যই সেই গড়ে উঠার মাধ্যমটি হতে হবে সম্পূর্ন ভিন্ন, কৌতুহলি, যুগ উপযুগী এবং সর্বপরি সর্বজনিন গ্রহণযোগ্য। কি হতে পারে সেই মাধ্যম, এমন চিন্তা, গবেষণা এবং অক্লান্ত প্ররিশ্রমের ফল ই হল আজকের বিএনসিপি। বিএনসিপি শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের শুভ, কল্যাণ ও শ্রেয়বোধ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম নতুন পৃথিবী চায় তারা এ দেশের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাদের রুচি, মেধা ও মূল্যবোধের ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যত কতটা উজ্জলতর হবে। নিজেকে উন্নত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে পারাটাই প্রত্যেকে এক বড় কর্তব্য। তাহলেই তারা তাদের মেধা, শ্রম, শিক্ষা ও রুচি দিয়ে দেশ, মানুষ ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে এবং গণতন্ত্র চর্চ্যা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলার মধ্য দিয়েই শিশুরা হয়ে উঠবে আর্দশ নাগরিক হিসাবে। বিএনসিপি নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে চায়। এটি মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বিবিত মানুষের সম্মিলিত হওয়ার, নিজেকে গড়ে তোলার এবং মানবতার কল্যাণে কাজ করার একটি মঞ্চ। “আমরা জয় করব নিজেকে, জয় করব এই দেশকে এই দেশের মানুষকে এই আমাদের অঙ্গিকার” এই শ্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠিত বিএনসিপি। সারা দেশেই রয়েছে এর বিস্তৃতি। এটি একটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং শিশু-কিশোদের নেতৃত্ব বিকাশ ও মানসিক উন্নয়নের লক্ষে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার অন্যতম শ্রেষ্ট মাধ্যম।

“শিশুদের উন্নয়নে অংশিদার হোন
আমাদের সহায়তা করুন
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি
আসুন সবাই শিশুদের উন্নয়ন করি কপি”

ধন্যবাদান্তে
ফাতিমা মুন্নি
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় শিশু সংসদ বিএনসিপি